Welcome to বঙ্গীয় কলা বিদ্যালয়

The Bangiya Kala Vidyalaya is established in the year 1979 and registered by the Govt. of West Bengal at Twenty Eight day of August in the Year of 2001. The 1st President was Dr. Rama Ranjan Mukherjee two time Vice Chancellor of Rabindra Bharti University. Our Registration is WB S/IL/5114 for the Accounting year 2001-2002. Our organization runs by the efficient and eminent personalities such as Dr. Pradip Kumar Mukherjee Ex Professor of Calcutta University Dr. Dipak Chatterjee Ex Professor of Rabindra Bharti University Dr. M.C.Paul Ex Professor of Vidyasagar College or S.P. Naskar Ex Professor of Vidyasagar University Dr. B.K. Pathak, Uttarbanga University. Pandit Sachin Mullick Ex- Artist of Doordarshan & Aakash Bani Kolkata, Pandit Monilal Bhowmick, main partorn Late. V. Valsaram was also attached with our organisation.


Our organization is also register and affiliated by Govt. of India Ministry of Culture (Human Resourse) Department our unique Id No. is WB12014/0075602 beside these our organization is also affiliated by Govt. of West Bengal Department of Higher Education also. It is very well known and famous and leading organization in the field of cultural & social activities. Our activities spread out not only West Bengal but also Bihar, Orissa, Assam, Uttarpradesh, Bangladesh, Dubai, Mumbai etc state and provinces. We have fifty fife faculties in our organization such as Dance, Drama, Painting, Songs Folk Culture, Knitting, Beautician, Western Dance, Recitation upto eight year B.T. Training now we are given affiliations to the centre holders during the year. Interested persons centre holders are cordially invite to join with our organization for more details discussions please come to our office at 12 noon – 8 PM all working days except Holidays. Our organizations main aim how to preserve and spread out local culture & flock culture in our West Bengal and abroad such as different types of beautiful paintings are lost by our negligency. Our flock culture is almost is ruined condition because those who are in this profession they are live hamd to mouth now a days we find and feel their distress condition.

ভূমিকা



মানুষ মরণশীল।অনিত্য এই সংসারে সবই পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনশীলতার মধ্যে নিজেদের ধরে রাখা সত্যিই কঠিন। এই কাঠিন্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল মানিসিক কাঠামোকে ঠিক রাখা। মনের সাথে শরীরের যোগ নিবিড়। তাই শরীর আর মন দুই-ই ঠিক রাখতে গেলে সঙ্গীতচর্চা একান্তভাবে প্রয়োজন। এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। গান, নাচ, ছবি আঁকা, ইত্যাদির মধ্য দিয়ে মানসিক চাপ(Tension)কমাতে পারি। তার ফলে যেমন হৃদরোগ এড়ানো সম্ভব তেমনি পাশাপাশি সৃজনশীল কিছু করা যায়।এর মধ্য দিয়ে দৈহিক, সামাজিক, আর্থিক, মানসিক তৃপ্তি লাভ সম্ভব হয়। “বঙ্গীয় কলা বিদ্যালয় ও কেন্দ্র” বর্তমান যন্ত্র সভ্যতার যুগে এই সকল বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার প্রতি দৃষ্টি রেখে সার্বিক মানব কল্যাণের, শিল্প ও শিল্পীকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়ার উদ্দেশ্যের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রেখে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানের “শিল্পী সমাজ” অত্যন্ত দুঃস্থ, আর্থিক ভাবে দুর্বল। তাই তাঁদের শিল্পকর্ম যাতে বিদেশের বাজারে বিক্রয়ের মাধ্যমে কিছু আর্থিক সহায়তা করা যায় তার প্রতি “বঙ্গীয় কলা বিদ্যালয় ও কেন্দ্র” দৃষ্টি রাখছে। এই “বঙ্গীয় কলা বিদ্যালয়” পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক নিবন্ধীকৃত এবং ভারতবর্ষের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃত ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদনাপক্ষারত এর উদ্দেশ্যগুলি হল :-

(১) পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের বিভিন্ন গ্রামেগঞ্জে শিক্ষণরত বিভিন্ন সঙ্গীতালয়/ চারুকারুকলা শিক্ষালয়গুলিকে অনুমোদিত পাঠ্যক্রমানুসাপেক্ষে অনুমোদন দান।
(২) অনুমোদন কেন্দ্রগুলিতে পাঠরত শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা গ্রহণ।
(৩) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সমস্ত ছাত্র/ছাত্রীকে প্রতি বৎসর আভিজ্ঞান পত্র/উপাধিপত্র প্রদান করা।
(৪) চারু/কারু শিল্পের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা ও বিদেশে যাতে প্রচার/প্রসার হয় তার ব্যবস্থা করা।
(৫) জ্ঞানী-গুণীজনের সম্বর্ধনার ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার জন্য কেন্দ্র থেকে সহযোগিতা করা।
(৬) লোকসঙ্গীত(প্রাচীন), লোকনৃত্যের গবেষণা ও গবেষকদের বৃত্তি দান।
(৭) নাট্যব্যক্তিত্বদের সহযোগিতায় পাঠকের প্রশিক্ষণ।
(৮) সৌন্দর্যতত্ত্বের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞান প্রদান।
(৯) মাল্টিমিডিয়ার প্রশিক্ষণ প্রদান।
(১০) পুরনো ছবির সংরক্ষণ সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা।
(১১) শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
(১২) দুঃস্থ শিল্পীদের আর্থিক অনুদান প্রদান করা।
(১৩) সৃজনশীল গীতিকার ও সুরকারদের আর্থিক অনুদান প্রদান করা।
(১৪) কলা বিদ্যালয়ের নিজস্ব বাৎসরিক ‘পত্রিকা’ প্রকাশ করা।
(১৫) ফ্রেবরিক ও বাটিক প্রিন্টিং-এর কাজ শেখানো।
(১৬) ‘আভ্যন্তরীণ সজ্জার’ বাহ্যিক ও আঙ্গিকের শিক্ষাদান।
(১৭) সৃজনশীল কাজের জেলাওয়ারি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা।
(১৮) বাৎসরিক অনুষ্ঠান ও সকল কেন্দ্রাধ্যক্ষগণকে আমন্ত্রণ ও তাঁদের মতামত জানা বা জানানোর ব্যবস্থা করা।

Design by BITS WEBSEVICES